bk444bkcom1
bk444bkcom1@edu.com
BK444BKCOM (4 อ่าน)
15 ส.ค. 2569 18:51
সাবধান! এই লেখাটি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোর জন্য মোটেও নিরাপদ নয়, কারণ এটি পড়ার পর আপনার সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।
আমার দাদু বলতেন, অলস মস্তিষ্ক নাকি শয়তানের কারখানা। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে অলস মস্তিষ্ক মানেই হলো ইন্টারনেটের অন্ধকার গলিতে অদ্ভুত সব জিনিসের সন্ধান করা। গত মঙ্গলবার দুপুরে, যখন বাইরের রোদে পিচ গলা গরম আর আমার বস আমাকে ইমেইলের পাহাড় দিয়ে জীবন্ত সমাধি দিচ্ছেন, তখনই আমার মাথায় এল এক অশুভ চিন্তা—আজকাল মানুষ কেন এত অস্থির? কেন সবাই সাফল্যের সিঁড়ি বাইতে বাইতে নিজের পায়ের স্যান্ডেলটা পর্যন্ত হারিয়ে ফেলছে?
ঠিক সেই মুহূর্তে আমার স্ক্রিনে ভেসে উঠল **BK444** (দেখুন এখানে: https://bk444bk.com/) নামটা। শুরুতে ভেবেছিলাম, হয়তো কোনো মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের গোপন কোড বা এলিয়েনদের পাঠানো সিগন্যাল। কিন্তু না, কৌতুহল আর বিপদের বন্ধুত্বের টানে আমি ক্লিক করে বসলাম। ফলাফল? আমার দুপুরের খাবার ভুলে আমি স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইলাম অনেকটা সেই মূর্তির মতো, যে জানে না কেন তাকে ওখানে বসিয়ে রাখা হয়েছে।
বাস্তবতা হলো, আমরা সবাই কোনো না কোনো কিছুর পেছনে ছুটছি। কেউ ছুটছে ভালো চাকরির পেছনে, কেউ ছুটছে নিজের ইগো সামলাতে, আর আমি ছুটছি কী করে অফিসের এসিটা ঠিক করা যায় সেই চিন্তায়। মাঝেমধ্যে মনে হয়, আমাদের জীবনটা একটা সস্তা রিভার্সিটি শো। যেখানে হোস্ট নিজেই জানে না কোন প্রশ্নের উত্তর কী। মানুষ ভাবে, সবকিছুর সমাধান বুঝি একটা ক্লিক বা একটা অ্যাপের মধ্যে লুকিয়ে আছে। হয়তো আছে, হয়তো নেই, কিন্তু সেই উত্তেজনার নামই কি জীবন নয়?
আমার পাশের ডেস্কে বসা চঞ্চল, যে সারাদিন বিট লবণ আর মুড়ি ছাড়া কিচ্ছু বোঝে না, সে আমাকে জিজ্ঞেস করল— "ভাই, এত গম্ভীর হয়ে স্ক্রিনে কী দেখছেন? গুগল ম্যাপে বাড়ির রাস্তা ভুল করেছেন?" আমি শুধু হাসলাম। ওকে আর কী বোঝাবো যে, মাঝে মাঝে জীবনের জটিল অলিগলি থেকে বাঁচতে হলে এমন কিছু জিনিসের দরকার হয় যা আপনার যুক্তির ধার ধারে না। চঞ্চলের জীবনটা খুব সহজ, সকালে ঘুম থেকে ওঠা, দুপুরের ডাল-ভাত আর রাতে একটা ভালো ঘুম। আর আমার জীবন? আমার জীবন হলো খোলা সমুদ্রের মাঝখানে একটা ভাঙা ডিঙি নৌকা, যেটার বৈঠাটা আমি সম্ভবত গত পরশু দিনই বাসে ফেলে এসেছি।
অনেকে বলে, মানুষের ভাগ্য নাকি ললাটলিখন। আমি বলি, ভাগ্য এখন ললাটলিখন নয়, ভাগ্য এখন ডেটা-লিখন। আপনি কী ক্লিক করছেন, কতক্ষণ কোথায় থামাচ্ছেন—এসবই ঠিক করে দিচ্ছে আপনার আগামীকালের সকালটা কেমন হবে। তাই আমি যখন নিজের ভার্চুয়াল জগতটাকে গোছানোর চেষ্টা করি, তখন মনে হয় আমি বুঝি কোনো এক জাদুকরী খেলায় নেমেছি। যেখানে নিয়মগুলো আপনি নিজেই তৈরি করেন, কিন্তু রেফারী সবসময় আপনার বিপক্ষেই বাঁশি বাজায়।
শেষে একটা কথাই বলব, জীবনটা বড্ড ছোট। অফিসের ফাইল আর বসের ঝাড়ি খেয়ে যদি শেষ পর্যন্ত একটা ভালো মুড বা একটুখানি রোমাঞ্চ না খুঁজে পান, তবে আপনার জন্ম সার্থক হওয়ার সম্ভাবনা কম। বাকিটা আপনার ইচ্ছা, কারণ আমি তো কেবল একজন লেখক, যে নিজের ডেস্কে বসে অফিসের এসি ঠিক না হওয়ার বিরক্তি থেকে এসব লিখে যাচ্ছে। দয়া করে এটাকে জীবন দর্শনের কোনো মহান বাণী ভেবে ভুল করবেন না, এতে আপনারই বিপদ। বরং এর চেয়ে বরং চঞ্চলের মতো এক বাটি মুড়ি মাখা খেয়ে নেওয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। অন্তত পেটের কোনো সমস্যা হবে না।
104.28.195.234
bk444bkcom1
ผู้เยี่ยมชม
bk444bkcom1@edu.com